জাতীয় পতাকা প্রতিটি রাষ্ট্র ও জাতির স্বকীয়তা এবং স্বাধীন-সার্বভৌমত্বের প্রতীক। চারদিকে সবুজ আর মধ্যখানে লাল বৃত্ত বিশিষ্ট পতাকা বাংলাদেশের। যার প্রতি আনুগত্য এবং সম্মান প্রদর্শন আমাদের চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে অভু্যদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। কোটি বাঙালির আত্মনিবেদন ও সংগ্রামের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের নিদর্শন লাল-সবুজের পতাকা। এই পতাকার সম্মান রক্ষা আমাদের সকল নাগরিকের মৌলিক কর্তব্য। এ ব্যাপারে উদাসীনতা কাম্য নয়। জাতীয় দিবসে দেশের সর্বস্তরে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের হিড়িক পড়ে যায়। শহীদের আত্মত্যাগের কথা ভুলে গিয়ে করা হয় জাতীয় পতাকার অপব্যবহার ও অবমাননা।
আইন অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা গাঢ় সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ১০:৬ ফুট, আয়তাকার সবুজ রঙের লাল বৃত্তটি পতাকার দৈর্ঘের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। কিন্তু জাতীয় দিবসগুলোতে সভা-সমাবেশ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গাড়ি ও বাসা-বাড়িতে টানানো অধিকাংশ পতাকা আকৃতি সঠিক নয়, রঙেরও ঠিক নেই; আবার ব্যবহার শেষে ফেলে রাখা হয় যত্রতত্র, যা পতাকার অবমাননা। তাই জাতীয় পতাকার বিকৃতি ও অবমাননা রোধে সবাইকে হতে হবে সচেতন।