সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। তবে এদিন বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে গতকাল শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরু হয়। ফলে লেনদেনের শুরুতেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। শুরুতেই দেখা দেওয়া ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা অব্যাহত থাকে। কিন্তু লেনদেনের শেষ আধা ঘণ্টায় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। ফলে সূচকের পতন দিয়ে শেষ হয় দিনের লেনদেন।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৭৫৪ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৫৩৬ পয়েন্টে অবস্হান করছে।
গতকাল বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৬৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৫২ কোটি ১ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১১৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ৯১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্হানে থাকা সোনালী পেপারের লেনদেন হয়েছে ৪৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ২৪ কোটি ৪৩ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্হানে রয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্স।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—ওয়ান ব্যাংক, ফরচুন সুজ, এশিয়া ইনসিওরেন্স, জেনেক্স ইনফোসিস, সেনা কল্যাণ ইনসিওরেন্স , ইস্টার্ন লুব্রিকেন্ট এবং আইএফআইসি ব্যাংক। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১১০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৭টির এবং ৪৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।