ইঞ্জিনরুম থেকে লঞ্চে আগুনের সূত্রপাত: তদন্ত কমিটি

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় গঠিত অনুসন্ধান কমিটির প্রধান যুগ্ম সচিব তোফায়েল ইসলাম বলেছেন, ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে দিয়াকুল নামক স্থানে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের ইঞ্জিন রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে গেছে। 

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় বরগুনা সার্কিট হাউসে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় গঠিত সাত সদস্যের অনুসন্ধান কমিটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় অনুসন্ধান কমিটির মধ্যে বরিশাল পুলিশ সুপার মো. কফিল উদ্দিন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার তাইফুর আহমেদ ভুঁইয়া, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া, বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাপ) সংস্থার পরিচালক মামুন-অর-রশীদ এবং বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুসন্ধান কমিটির প্রধান মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়া যাচ্ছে না। দুর্ঘটনায় কবলিত অধিকাংশ যাত্রীর বাড়ি বরগুনায়। তাদের কাছ থেকে বক্তব্য শুনে ঘটনার সময় লঞ্চে কর্মরত স্টাফদের ভূমিকা কী ছিল তা আমরা নির্ণয় করতে পারবো।

নদী বন্দর থেকে জাহাজ ত্যাগ করার পূর্বে বন্দর কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নিয়ে জাহাজ ত্যাগ করার নির্দেশনা থাকলেও সেটি করা হয়েছিল কিনা সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নে তোফায়েল হোসেন বলেন, যেহেতু ২৩ ডিসেম্বর ঘটনার পরপরই অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে কার্যক্রম পরিচালনা করায় এ বিষয়ে অফিসে খোঁজখবর নিয়ে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করবেন।

এদিকে লঞ্চ দুর্ঘটনায় বরগুনা সদরের এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম নাসির বাদী হয়ে বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের মালিক জালাল শেখকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।