সেতু ভেঙে মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ

যমুনার চরাঞ্চল কাজলা ইউনিয়নের কটাপুর বাজার থেকে পাকেরদহগামী সড়কে রাজুর বাড়ির নিকট খালের ওপর নির্মিত সেতুটি বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় চরের মানুষের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

দুই বছর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ‘গ্রামীণ রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের’ আওতায় প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের কয়েক মাস পরেই সেতুটি বন্যায় বিধ্বস্ত হয়। সেতুসংলগ্ন সড়কে শাহজালাল বাজার, আনন্দ বাজার, কটাপুর বাজার, মানিকদাইর ও জামথল বাজার অবস্থিত। চরের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য যানবাহনে সড়কপথে বিভিন্ন হাটবাজারে নিয়ে বিক্রি করে থাকে। তাছাড়া জামালপুরের মাদারগঞ্জ, ইসলামপুর উপজেলার লোকজন ও ব্যবসায়ীরা একই পথে বগুড়ার বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন করে থাকে। সেতুটি বিধ্বস্ত হওয়ায় যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ভেঙে যাওয়া সেতু।

কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ সরকার বলেন, খালের ওপর নির্মিত সংযুক্ত দুটি সেতুর কারণে কাজলা ও চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১৫টি চরগ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াতের সুবিধা হয়েছিল। কিন্তু বন্যার সময় ধসে যাওয়ায় যাতায়াতে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, আমি এখানে যোগদানের পূর্বে ওই সেতু নির্মিত হয়েছে। তাই এ বিষয়ে আমার কোনো মতামত নেই। 

এ ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আতিকুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ইত্তেফাককে বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে সেতু ধসের বিষয়টি জানানো হয়নি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।