দরপতন পিছু ছাড়ছে না দেশের শেয়ারবাজারের। আগের সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও দরপতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। এতে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ফলে পতন হয়েছে সবকয়টি মূল্যসূচকের।
এর আগে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন হয়। এতে এক সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমে ১৬৫ পয়েন্ট। আর বাজার মূলধন কমে ১২ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। গতকাল দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭২ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৬২৯ পয়েন্টে নেমে গেছে।
অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ১৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৮৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৮০১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৮৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সোনালি পেপারের শেয়ার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো, তৃতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়া ইনসিওরেন্স।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—বিএসসি, ইস্টার্ন ইনসিওরেন্স, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্ট, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ওয়ান ব্যাংক, ফরচুন সুজ, এশিয়া প্যাসেফিক ইনসিওরেন্স। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৬১ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৯টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২২৪টির এবং ২৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।