খুলনায় মৎসজীবী দলের ৪৫ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিবাদে খুলনা মহানগর ও ৫ থানা মৎসজীবী দলের ৪৫ নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন। গতকাল বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মহানগর মৎসজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক সায়মুন ইসলাম রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

পদত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, খুলনা মহানগর মৎসজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক সায়মুন ইসলাম রাজ্জাক, সিনিয়র সহসভাপতি মো. শাহজাহান শেখ, সহ-সভাপতি মো. খালেক গাজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুর রহমান সানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মারুফ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল গফুর সরদার, প্রচার সম্পাদক মো. অলি খাঁ, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হালিম কাজীসহ তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু সালাম, সদর থানার সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি মো. সিরাজ হাওলাদার, সহ-সভাপতি মো. কালাম হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা সভাপতি বিএম রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ শেখ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান হোসেন, খালিশপুর থানার সভাপতি মো. জাকির হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, দৌলতপুর থানার সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক মো. মোস্তফা গাজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. বারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. সুমন হোসেন, খানজাহান আলী থানার সভাপতি মোল্লা লোকমান হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি মো. এজাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান শেখ, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহিদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. আব্বাস আলী, প্রচার সম্পাদক মো. আরশাদ আলী প্রমুখ।  

এদিকে, অপর এক বিবৃতিতে নগরীর খানজাহান আলী থানার অন্তর্গত যোগীপোল- আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন ও কেসিসির ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতৃবৃন্দ বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন। 

বিবৃতিতে তারা বলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৪৪ বছরের পরীক্ষিত একজন নেতা। এই বিশ্বস্ত নেতার প্রতি দল যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তাতে আমরা ভীষণ মর্মাহত হয়েছি। তার বিষয়টি সহানুভুতির সঙ্গে পুনর্বিবেচনার জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলীয় নীতিনির্ধারকদের প্রতি আবেদন জানাই। 

তারা আরও বলেন, আমরা মনেকরি, কেন্দ্রীয় বিএনপি দলের এই ক্লান্তিলগ্নে সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি সুন্দর মহানগর কমিটি উপহার দেবেন। এটি যতদিন না হবে আমরা খানজাহান আলী থানা, আটরা গিলাতলা ও যোগিপোল ইউনিয়ন এবং কেসিসির ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় সব কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের বিরত রাখব।

বিবৃতিতে সাক্ষর করেন আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হাসান ডায়মন্ড, কেসিসি ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনছার চৌধুরী, আটরা-গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শুকুর, কেসিসি ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দীন, আব্দুর রব মুন্সি, যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান মন্টু, ঝর্ণা বেগম, শেফালি বেগম, হাসিনা বেগম প্রমুখ।   

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিবাদে এর আগে মহানগর ও থানা বিএনপির ৫৬১জন নেতাকর্মী পদত্যাগ করেন।