নাসিক নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, সরকারদলীয় প্রার্থীর নিজেরই তো আস্থা নেই নৌকা প্রতীকে। তাই তিনি নৌকায় ভোট চাওয়ার বদলে অন্যদলের মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন বেশি।
শনিবার (১ জানুযারি) দিনভর সিটি করপোরেশনের বন্দর অংশের ২১ ও ২২নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এসব কথা বলেন তৈমুর।
গণসংযোগকালে অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান ব্যর্থতা হলো নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দরকে একত্রিত করতে পারেনি। বন্দর একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ঢাকার আগে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা সৃষ্টি হয়। বন্দর, কদমরসূল ও মদনগঞ্জ নিয়ে মদনগঞ্জ পৌরসভা ছিল। ৭৬ সালে নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম পাশের সাথে বন্দরকে যুক্ত করা হয়। সিটি করপোরেশনের কারণে বন্দর অবহেলিত। তারা একটা ব্রিজ করতে পারেনি। চট্টগ্রামে টানেল হয়েছে। তারা টানেলও করতে পারেনি ব্রিজও করতে পারেনি। আমাকে আল্লাহ কবুল করলে জনগণের আশার প্রতিফলন ঘটবে। এখানে ব্রিজও হবে, টানেলও হবে।
সরকারদলীয় প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভীর ‘অন্য কারো শিখিয়ে দেওয়া অভিযোগ করছেন তৈমুর’ এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম গণমাধ্যমকে জানান, ১০ বছর হয়ে গেছে অথচ বন্দরের ৯টি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ময়লা ব্যবস্থাপনা বা গার্বেজ ব্যবস্থার কিছুই করতে পারেনি সিটি করপোরেশন। আমি যে অভিযোগ করি তার সাক্ষী নারায়ণগঞ্জের নগরবাসী। ট্যাক্স বেড়েছে কিনা তা নগরবাসী বলবেন।
পানির জন্য আলাদা করে দেড় লাখ টাকা নেয় কিনা, ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি করেছে কিনা এবং জন্ম নিবন্ধনের জন্য জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা- এটা জনগণ যারা আছেন তাদের জিজ্ঞেস করবেন তারা বলবে। আমি সত্যি বলছি না মিথ্যা বলছি নগরবাসী ভালো জানেন।
অপরদিকে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তৈমুর বলেন, যদির কথা নদীতে ফালায় (ফেলে) দেন। আমি এখন দলের ক্যান্ডিডেট না। আমি জনগণের ক্যান্ডিডেট। আমি জনগণের দাবিতে প্রার্থী হয়েছি। ২০১১ সালে দলের সিদ্ধান্তে বসে যাই। ১৬ সালে দল নমিনেশন দেওয়ার পরও নির্বাচনে যাইনি। এবার আমি জনগণের সঙ্গে বেইমানি করব না।
ইত্তেফাক/এনএ