নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আহত ২৫, পুলিশের গাড়িতে আগুন

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) একটি ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ও এক প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ ও এক শিশুসহ ২৫জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ জানুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় ওই প্রার্থীর সমর্থকরা।

এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে পুলিশ কনস্টেবল ওসমান গণীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া জানান, রাত ৮টার দিকে ভোট গণনা শেষে পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর কেন্দ্র থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে ব্যালট বাক্স নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় কমলাবাড়ি নামক এলাকার সড়কে ঘোড়া মার্কার প্রার্থী ফারজানা বেগমের সমর্থকরা ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় প্রার্থীর সমর্থকরা।

নির্বাচন কমিশন

এ ব্যাপারে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী ফারজানার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। 

পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিসৎকরা জানান, আহতদের মধ্যে ১২বছরের এক শিশু রয়েছে। গুরুতর হওয়ায় আহত পুলিশ কনস্টেবল ওসমান গণীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে।

পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, কেন্দ্র থেকে উপজেলায় ব্যালট বাক্স নিয়ে আসার সময় রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকরা। এসময় পুলিশ ও তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।