মঙ্গোলিয়ার ওপর চীনের চাপ 

অন্যান্য দেশকে শর্ত মেনে নিতে চীন তাদের অর্থনৈতিক খাতকে হাতিয়ার হিসেবে যে ব্যবহার করে এটি কমবেশি সবাই জানে। প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ক্ষমতা জাহির করতে চীন তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কাস্টম ক্লিয়ারেন্স বিলম্বিত বা সীমান্ত পোস্টগুলি বন্ধ করে দেওয়া দেশটির আদর্শ চর্চা। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো চীন-মঙ্গোলিয়া সীমান্তে যানচলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে। 

এর ফলে মঙ্গোলিয়ায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, পণ্যের ঘাটতি এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির সম্মুখীন হচ্ছে।  যা দেশটির  রপ্তানি এবং আয়কে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করছে।

মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সাধারণ ধারণা হলো করোনার কারণ দেখিয়ে চীন যে কড়াভাবে সীমান্ত বন্ধ করেছে তা কেবল অজুহাত মাত্র। সত্যিকারের কারণ হলো মঙ্গোলিয়ায় ১০তম জেডি'র ঘোষণা দেওয়ায় বেজায় নাখোশ চীন। 

ধারণা করা হচ্ছে, এই ১০ তম জেডি একজন শিশু যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকধারী এবং মঙ্গোলিয়ায় বসবাস করছে।  গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বৌদ্ধ কমিউনিটির বৈঠকে ১০ তম জেডি নির্বাচন করা হয়। 

ওই সিলেকশন কমিটির প্রধান খাম্বা নোমুন হান চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভারত সফর করবেন। সেখানে দালাই লামার বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এদিকে চীন জানিয়েছে, তারা ওই শিশুকে ১০ তম জেডি হিসেবে স্বীকৃতি দিবে যদি দালাই লামা তাকে স্বীকৃতি না দেয়। এবং তাকে চীনে পড়াশুনার জন্য পাঠানো হয়। 

 মঙ্গোলিয়ানদের সন্দেহ চীনের সীমান্ত বন্ধের সিন্ধান্ত হচ্ছে মঙ্গোলিয়ান বৌদ্ধদের বিষয়ে ওপরে দেশটি নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়।