নাদাল-ওসাকার দাপুটে শুরু

নোভাক জোকোভিচ নেই। তাই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ফেভারিটের পাল্লাটা এখন রাফায়েল নাদালের দিকেই ঝুঁকছে বেশি। ২১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের পথে শুরুটা দাপুটেভাবে করেছেন এই স্প্যানিশ টেনিস তারকা। মেলবোর্নে যুক্তরাষ্ট্রের মার্কোস গিরোনের ওপর যেন স্টিম রোলার চালিয়েছেন তিনি, জিতেছেন ৬-১, ৬-৪, ৬-২ গেমে।

নাদালের মতোই শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছে মেয়েদের বিভাগে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ন্যাওমি ওসাকার। গতবছর প্রায় অর্ধেকটা সময়ই মানসিক সমস্যার সঙ্গে লড়াই করেছেন এই জাপানি টেনিস তারকা। যে কারণে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন ফ্রেঞ্চ ওপেন ও উইম্বলডন থেকে। ইউএস ওপেনে বাদ পড়েন তৃতীয় রাউন্ড থেকেই। তবে গতকাল কলম্বিয়ার ক্যামেলিয়া ওসোরিওকে ৬-৩ ও ৬-৩ গেমে হারিয়ে ওসাকা জানালেন খেলায় হারানো ছন্দ ফিরে পেয়েছেন তিনি।

ওসাকা বলেন, ‘কিছু পরিস্থিতি আছে যেখানে আমি আগে হতাশ থাকতাম। কিন্তু জীবনের এই মুহূর্তে আমি এখানে আছি, কারণ আমি এখানে থাকতে চাই এবং এখানে মজাদার কিছু খুঁজে পেয়েছি।’ ওসাকার শিরোপা ধরে রাখার রাস্তায় সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাশলি বার্টি তুলে নিয়েছেন দারুণ এক জয়। ইউক্রেনের লেসিয়া সুরেঙ্কোকে ৬-০ ও ৬-১ গেমে উড়িয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মেয়ে। এদিকে মেয়েদের বিভাগে অঘটনও ঘটেছে। স্বদেশি মেডিসন কিসের কাছে ৭-৬ (৭-২), ৭-৫ গেমে হেরে প্রথম রাউন্ডেই ছিটকে যান ২০২০ এর চ্যাম্পিয়ন সোফিয়া কেনিন।

গত জুনে ফ্রেঞ্চ ওপেনে সেমিফাইনালে জোকোভিচের কাছে হারের পর গতকালই মেজর কোনো টুর্নামেন্টে ফিরলেন নাদাল। এর মধ্যে ক্লান্তি, ইনজুরি ও করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়েছে ৩৫ বছর বয়সি এই খেলোয়াড়কে। এখনো পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। জয়ের পর গতকাল আসরের পাঁচ নম্বর বাছাই বলেন, ‘সত্যি বলতে খুবই চ্যালেঞ্জিং ও কঠিন সময় গেছে আমার। যেখানে প্রচুর শঙ্কাও ছিল। ইনজুরি থেকে কখন সুস্থ হয়ে উঠবেন তা আপনি জানেন না। দিন যত যায় ব্যাপারগুলো তত কঠিন হয়।’