‘ডিসকভারিং হেলথ উইথ মডার্ন রিজেনারেটিভ মেডিসিন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত 

‘ডিসকভারিং হেলথ উইথ মডার্ন রিজেনারেটিভ মেডিসিন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্যবিষয়ক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।  

আমেরিকান সেন্টার অফ রিজেনারেটিভ মেডিসিনের সফলতা নিয়ে সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া। 

অনুষ্ঠানে কীনোট স্পিকার হিসেবে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ইন্টিগ্রেটেড হেলথের প্রফেসর ডক্টর মুজিবুল হক। 

ডিসিএজি সিনিয়র এম মাহবুবুল হকসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এবং ডিজি হেলথ এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রিজেনারেটিভ মেশিনের ওপর প্রশিক্ষিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইন্টেগ্রেটিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর মুজিবুল হক বলেন, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে এখন গতানুগতিক ওষুধ নির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থার একটি উত্তম বিকল্প ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। 

প্রফেসর ডাক্তার মুজিবুল হক বলেন, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, উন্নত খাদ্যাভ্যাস এবং প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের মাধ্যমে একজন মানুষ রোগকে চিরতরে বিদায় করতে পারে। বিশেষ করে যেসব রোগকে মরণব্যাধি হিসেবে আখ্যা দেয়া হচ্ছে অথবা এমন কিছু রোগ যেগুলো চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল এবং ব্যয়বহুল। সেসব রোগের চিকিৎসায় বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে খাদ্যাভ্যাস, জীবনাচার, ন্যাচারাল সাপ্লিমেন্ট, মডার্ন রেজেনেটিভ থেরাপি এবং ব্যায়াম তথা রোগের কারণগুলোকে চিকিৎসা করে রোগাক্রান্ত হওয়ার পথকে রুদ্ধ করে দেয়। ফলে একজন মানুষকে রোগা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। এজন্যে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন খাবার পরিহার করে চলা। 

চিকিৎসা সেবায় ঢাকাস্থ ‘আমেরিকান সেন্টার অফ রেজেনেরেটিভ হেলথ’ এর  সাফল্যও তুলে ধরেন তিনি। 

সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, সরকার ১৭ কোটি মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে চলেছে। নিত্যনতুন পলিসি নির্ধারণের মাধ্যমে দেশবাসীর জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার সদা সক্রিয়। এক্ষেত্রে ন্রিজেনারেটিভ মেডিসিন এবং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি সব মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্যবান করে গড়ে তোলা যায় তবে ওষুধের ব্যবহার কমে আসবে এবং চিকিৎসার পেছনে বর্তমানে যে পরিমাণ ব্যয় হয় সেটিও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। এজন্য আরও বেশি গবেষণা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।