সেঞ্চুরি নেই। তবে ২৮.৭১ গড়ে, ১২৬.০৭ স্ট্রাইক রেটে ২২৮ ম্যাচে ৪ হাজার ৭৩৮ রান করেছেন মুশফিকুর রহিম। টি-২০ ম্যাচে ব্যাটসম্যান হিসেবে এমন পরিসংখ্যান নেহায়েত খারাপ নয়। বয়সের ঘর ৩৪-এ চলে যাওয়া মুশফিকের আন্তর্জাতিক টি-২০ তে ব্যাটিং গড় ১৯.৭৯, স্ট্রাইক রেট ১১৫.৩৫। বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেও বাংলাদেশের টি-২০ দল থেকে সম্প্রতি বাদ পড়েছেন মুশফিক।
গত বছর বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ১৪৪ রান করলেও সমালোচিত হয়েছেন অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান। চলতি বছরেই অস্ট্রেলিয়ায় হবে আরেকটি বিশ্বকাপ। আজ শুরু হতে চলা বিপিএল তাই মুশফিকের জন্য নিজেকে প্রমাণের সুযোগ। জাতীয় দলে ফেরার দাবিটা জোরাল করতে পারবেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে পারফর্ম করে।
অনেকটা অগ্রজ মুশফিকের সমান্তরালে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজও। প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে বালাদেশের টি-২০ দলে নেই এ তরুণ ক্রিকেটার। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলেছেন তিনি। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের নেতৃত্বের পাশাপাশি এবারের বিপিএল মিরাজের জন্য বড় সুযোগ। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে জাতীয় দলে ফেরার প্রয়াস চালাতে পারবেন তিনিও।
যদিও গতকাল দুজনই বলেছেন, বিপিএলের মাধ্যমে টি-২০ দলে ফেরার চিন্তা এখনই করছেন না তারা। দলের জন্য অবদান রাখাই তাদের মূল টার্গেট।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে খুলনার অধিনায়ক মুশফিক বলেন, ‘আমি কামব্যাক বা জাতীয় দল নিয়ে চিন্তা করছি না। আমি চিন্তা করছি বিপিএল নিয়ে। আলহামদুল্লিলাহ বিপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আমি। আমার কাছে এটা অন্যরকম চ্যালেঞ্জ যেন ঐ জায়গাটা ধরে রাখতে পারি। ভবিষ্যতে কি আসবে না আসবে তা নিয়ে একদমই ভাবি না। চেষ্টা করি দলের জন্য, এটাই আমার জন্য যথেষ্ট। যেহেতু আমাকে ডিরেক্ট সাইন করেছেন, তার প্রতিফলন যেন মাঠে দিতে পারি এতটুকুই চিন্তা করছি।’
আন্তর্জাতিক টি-২০ তে ১৩ ম্যাচেই থমকে আছে মিরাজের ক্যারিয়ার। পরিসংখ্যানও অবশ্য রুগ্ন। ৯৪ রানের সঙ্গে উইকেট মাত্র ৪টি। বিপিএলে পারফর্ম করার উপভোগ্য পরিবেশটা আপাতত মিরাজের নজরে রয়েছে। গতকাল ২৪ বছর বয়সি এ ক্রিকেটার বলেছেন, ‘এখানে ভালো করতে পারলে সবারই ভালো লাগে। বাকিটা আমার হাতে নয়। আমি শুধু পারফর্ম করার চেষ্টা করতে পারি।’