জাতীয় সিদ্ধান্তের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম অনলাইনে নেয়া হচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো বন্ধ করার চিন্তা-ভাবনা নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ইত্তেফাককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপাচার্য জানান, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতির কারণে জাতীয়ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। তবে সেশনজট নিরসনের জন্য অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা চলমান থাকবে।
হল বন্ধ না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা যে যেখানে আছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেখানেই অবস্থান করবে, অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো বন্ধ হচ্ছে না।
উপাচার্য বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মুখে ফেলতে চাইনা। তারা এখানে সেখানে দৌড়াদৌড়ি করবে কিংবা হয়রানি হবে তা আমরা কোনভাবে চাই না। শিক্ষার্থীদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজেদের অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দিচ্ছি।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের মার্চের মাঝামাঝিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়। দফায় দফায় সেই ছুটি বাড়ানো হয়। ফলে প্রায় দেড় বছর বন্ধ ছিল স্কুল-কলেজগুলো। করোনা সংক্রমণ কমতে শুরু করলে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে খুলে দেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।
তবে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের হার এখন ২৬ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। গত দুই সপ্তাহ যাবৎ এই হার বেশ দ্রুতগতিতে বাড়ছে।
ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর জন্য সরকার ১১ দফা বিধিনিষেধও জারি করেছে, তবে সেটা খুব এখনও খুব ভালোভাবে কার্যকর হতে দেখা যাচ্ছে না। এরইমধ্যে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা এলো।