বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপার্সন তারেক রহমান হলেন কুলাঙ্গারদের শিরোমণি।
মেনন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে হাওয়া ভবনকে কেন্দ্র করে দেশের তারুণ্যকে দুর্নীতির পঙ্কের মধ্যে তিনি নিমজ্জিত করেছিলেন। তারুণ্যের নৈতিকতাবোধ ও সংগ্রামী চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য তারেক রহমানই দায়ী।
মেনন বলেন, হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি পুনরায় চালু করার জন্য তারেক রহমান মরিয়া হয়ে উঠেছেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বিদায় করে আমরা ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছিলাম। তাদের এ ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার কারণ হলো, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বাস মিস করে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নই শুধু চুরমার হয়ে যায়নি, একই সঙ্গে বিরোধীদলের সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত। রাজনীতিতে একেবারেই একলা হয়ে যাওয়ায় তারা মরিয়া হয়ে উল্টো-পাল্টা বক্তব্য দিচ্ছেন।
গত রবিবার লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর বঙ্গভবনে খন্দকার মোশতাক আহমেদের শপথ অনুষ্ঠানে কর্নেল তাহের, জাসদের বর্তমান সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননও উপস্থিত ছিলেন। এর জবাবে রাশেদ খান মেনন বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মোশতাক সরকারের শপথের সময় আমি ঢাকায় আত্মরক্ষায় ব্যস্ত ছিলাম। রেডিওতে শপথ নেওয়ার কথা জেনেছি। ওই সময় আন্দোলন করে আমাদের শ্রমিক নেতাদের মুক্তি দিতে খন্দকার মোশতাককে বাধ্য করেছিলাম।
রাশেদ খান মেনন বলেন, সাধারণত তারেক রহমানের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে নেই না। কারণ আমি বলে আসছি রাজনীতিতে সে অর্বাচীনের মতো আচরণ করে চলেছে। তবে সম্প্রতি লন্ডনে তিনি আমাকে ও ইনু সাহেবকে জড়িয়ে যে কথা বলেছেন তার প্রতিবাদ করা না হলে নতুন প্রজন্মের কাছে তা বিভ্রান্তিকর হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ৪২ বছরে সবকিছু মুছে গেছে এটা মনে করার কোন কারণ নেই।