বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাহস থাকলে ক্ষমতা ছেড়ে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ছাড়া মাঠে আসুন; দেখা যাবে কার কত শক্তি।
এই সরকারের কোন জনভিত্তি নেই। পুলিশ-র্যাব-বিজিবি দিয়ে জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে বলে জানান।
বুধবার রাজধানীতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের এক সমাবেশে তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঢুকিয়ে দিতেই আওয়ামী লীগ সরকার বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা নিজ হাতে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু এর অশুভ পরিনতি তাদেরকে ভোগ করতে হবে। ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়াকে খুনি এবং তারেক রহমানকে কুলাঙ্গার বললে এদেশের মানুষ বসে বসে তামাশা দেখবে না। মানুষ রুখে দাঁড়াবে। ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে।
জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করার প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন- সেলিমা রহমান, আব্দুস সালাম, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মীর সরফত আলী সপু, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল। জোট নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন- জামায়াতের অধ্যাপক তাসনীম আলম, ডা. রেদওয়ান উল্লাহ শাহেদী, মোবারক হোসেন, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জালাল হায়দার, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপের অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, বিচার বিভাগের ‘শেষ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠায় এ ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়া হচ্ছে। সরকার আগেই বিচার বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এখন বিচারকদের সুচিন্তিত রায় যাতে তাদের বিপক্ষে না যায় সেজন্যই এ আইন করেছে। এর মাধ্যমে বিচারকদের চাকরির ভয় দেখিয়ে সহজেই তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।