রাজধানীর মগবাজারে তিন খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সন্ত্রাসী শাহ আলম ওরফে কাইলা বাবুসহ তিনজন আটক হয়েছেন। শুক্রবার রাতে ১২টার দিকে সবুজবাগের মান্ডা ঢালপাড় মসজিদ গলি এলাকা থেকে কাইলা বাবুকে আটক করা হয়।
ওই খুনের ঘটনায় শুক্রবার রাতে কালা চান নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে রমনা থানায় কাইলা বাবু, সোহেলসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।
কাইলা বাবুর পারিবারিক সূত্র জানায়, মান্ডা ঢালপাড় মসজিদ গলিতে কাইলা বাবু ফুপুর বাড়িতে আত্মগোপন করেন। রাত ১২টার দিকে র্যাবের একটি দল ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। এ সময় র্যাব কাইলা বাবুর কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তলও উদ্ধার করে।
আটকের বিষয়টি কাইলা বাবুর ফুফু খুশি বেগম ইত্তেফাক অনলাইনের কাছে নিশ্চিত করেছেন।
তবে এ ব্যাপারে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান বলেন, “কাইলা বাবু নামে র্যাব এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি। তবে মগবাজারে তিন খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাইলা বাবুকে র্যাব খুঁজছে। র্যাবের কয়েকটি দল এ ব্যাপারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।”
এদিকে এ খুনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আরো দুইজনকে আটক করেছে। তারা হলেন, সোহেল ও ফারুক।
এ ব্যাপারে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মো. ইকবাল জানান, সোহেল এবং আরিফকে আটকের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে মগবাজারের সোনালীবাগে সন্ত্রাসীদের গুলিতে রানু বেগম বৃষ্টি (৩০), মুন্না ও বিল্লাল নিহত হওয়ার পর কাইলা বাবু আত্মগোপনে ছিলেন।