ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে সপ্তম দিনের ধর্মঘট

সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধ করতে হবে। এই দাবিতে সাত দিন ধরে (গত রোববার থেকে) ঠাকুরগাঁও জেলায় পরিবহন ধর্মঘট চলছে।

গতকাল সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের বাসস্ট্যান্ড, কালীবাড়ি সেতু, পুরোনো বাসস্ট্যান্ড, আর্টগ্যালারি মোড়, ঠাকুরগাঁও স্টেশন রোডসহ বিভিন্ন সড়কে শ্রমিকেরা অবস্থান নিয়েছেন। যাত্রীরা বাস না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে অনেকে নছিমন, করিমন, ডিজেলচালিত থ্রি-হুইলার ও অটোরিকশায় করে গন্তব্যে রওনা দিচ্ছেন। চলছে না দূরপাল্লার কোনো বাস।
মোটর মালিক সমিতি গতকাল শনিবার বৈঠকের পর শহরে ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান মালিক ও শ্রমিক যৌথ কমিটি মাইকিং করে ৩১ আগস্টেরর মধ্যে সমস্যা সমাধানের সময়সীমা বেঁধে দেয়। সময়সীমার মধ্যে সমস্যার সামাধান না হলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলায় ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে জেলা টেম্পো ও থ্রি-হুইলার মালিক সমিতি বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন সড়কে পথসভা করে যান চলাচল অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। পথসভায় সমিতির সদস্যরা বলেন, তাঁদের যানগুলো বৈধ। কিন্তু প্রশাসন পরিবহন মালিক-শ্রমিকের চাপে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধ রাখতে অনুরোধ করছে। কিন্তু তাঁরা এ অনুরোধ রাখবেন না।

জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি রাম বাবু জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ যান চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তাঁরা পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছেন। অবৈধ যান চলাচল বন্ধে প্রশাসন উদ্যোগ না নেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য এ ধর্মঘট চলবে।
জেলা প্রশাসক মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চলছে।