নারী ভোটার কম হওয়ায় উদ্বিগ্ন সিইসি

ঢাকা-চট্টগ্রামে কাল থেকে ভোটার হালনাগাদ

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীসহ সারাদেশের ১২০ উপজেলায় কাল সোমবার থেকে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তৃতীয় ও শেষ পর্যায়ের এ হালনাগাদ কার্যক্রমে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নিবন্ধন কেন্দ্রগুলোতে ছবি তোলা ও নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। একই সময়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তর ও মৃত ভোটারের নাম কর্তনের কাজ চলবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। তবে হালনাগাদ কার্যক্রমে নারী ভোটার কম হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন সিইসি।
আজ  রবিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। 
ইসি জানায়, যাদের বয়স আগামী পহেলা জানুয়ারি, ২০১৫ সালে ১৮ বত্সর বা তার বেশি অর্থাত্ যাদের জন্ম ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে তাদেরকে এবার ভোটার করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগরীতে ভোটার তালিকা হালনাগাদের ২ হাজার ৬৫৫ জন তথ্য সংগ্রহকারীর ও ৫৪০ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকার দুই সিটির ৯৩টি ওয়ার্ড, ক্যান্টনমেন্ট ও তেজগাঁও উন্নয়ন সার্কেলের ১৭টি ইউনিয়নে ভোটার হালনাগাদ চলবে। ইতিমধ্যে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের নিয়োগপত্র ও পরিচয় পত্র দেয়া হয়েছে। ফলে ভোটার হালনাগাদ নিয়ে কেউ প্রতারণা করতে পারবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধণ অনুবিভাগ (এনআইডিডব্লিউ)।  
ব্রিফিং-এ সিইসি জানান, সারাদেশে তিন ধাপে গত ১৫ মে থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের হালনাগাদে ৩৫০ উপজেলায় ভোটার বেড়েছে ৩০ লাখ ৮২ হাজার ২৮৭ জন। যা লক্ষ্যমাত্রার ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ। এ সময় সিইসি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, কারো দ্বৈত ভোটার হওয়ার প্রয়োজন নেই। এই অপরাধ করলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। কারও সংশোধনের প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করলে তথ্য সংশোধন করে দেয়া হবে।
নারী ভোটার বৃদ্ধির হার কম হওয়ায় ইসি উদ্বিগ্ন মন্তব্য করে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, বিভিন্ন এলাকায় নারী ভোটার বৃদ্ধির হার কম হওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। আদমশুমারিতে নারী-পুরুষের যে অনুপাত, সেটির সঙ্গে ভোটার তালিকায় নারীর সংখ্যা মিলছে না। এ বিষয়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) সঙ্গে কমিশন পরামর্শ করেছে। তবে কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। নারী ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রচার শুরু করা হয়েছে।