আদমদীঘিতে ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

বগুড়ার আদমদীঘি বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া রুমা পারভীন (১৩) নামের এক ছাত্রীকে রবিবার রাতে দুর্বৃত্তরা ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আদমদীঘির সুদিন গ্রামের রাজমিস্ত্রী আব্দুল ওয়াহাব আলী বাবুর কন্যা ও বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রুমা রবিবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাওয়া শেষে ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত একটার দিকে দুর্বৃত্তরা রুমার বাবা ও চাচাদের ঘরের দরজা বাহির থেকে বন্ধ করে রুমার ঘরের দরজা বাহির থেকে কৌশলে খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এরপর রুমাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে পড়নের ওরনা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। যাওয়ার সময় পাশের ঘরে রুমার দাদীর কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। রুমার দাদী চিৎকার দিলে পরিবারের সবাই ওই ঘরে আসে। এ সময় রুমা না আসলে তার ঘরে গিয়ে রক্তাত্ব অবস্থায় লাশ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। পরে তারা পুলিশে খবর দেয়।
রুমার চাচা জোনায়েব জানায়, পূর্ব শক্রতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিকে রুমার হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্কুলের শিক্ষকসহ শত শত ছাত্রী রুমাকে দেখতে ভিড় জমায়।