বিএনপি জানে কিভাবে আন্দোলন করতে হয়: মির্জা ফখরুল

 
 
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারবিরোধী আন্দোলনে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ছোটখাটো ভেদাভেদ ভুলে সরকারের পতন ঘটাতে কঠোর আন্দোলন করতে হবে। আপনারা দলকে সুসংগঠিত করুন। অনেকেই অনেক কথা বলেন। তাদের কথায় কান দেয়ার দরকার নেই। বিএনপি জানে কিভাবে আন্দোলন করতে হয়। বিএনপি উড়ে এসে জুড়ে বসেনি। তিনি বলেন,এই সরকার সোজা কথা শুনবে না। আগেই বলেছি আঙ্গুল আমাদের বাঁকা করতেই হবে।
বুধবার বিকালে রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ মিলনায়তনে তারেক রহমানের সপ্তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। কৃষিবিদ শামীমুর রহমানের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, যুগ্ম-মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন,বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন নতুন সৃষ্টিশীল চিন্তা দিয়ে দেশ গড়তে তরুণদের উত্সাহিত করছেন। তাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। আওয়ামী লীগের কিছু নেতা ও কিছু বুদ্ধিজীবী সুযোগ পেলেই তারেক রহমানকে নিয়ে বিষোদগার করে। তার যুক্তি খণ্ডাতে না পেরে গালিগালাজ করে। তারেক রহমান যখন যুক্তি দেয় তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, তাজউদ্দিনের মেয়ের পর আওয়ামী লীগ সরকারের গত আমলের মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে সামরিক বাহিনীর দ্বিতীয় কর্মকর্তা এ কে খন্দকার ‘১৯৭১: ভেতরে-বাইরে’ নামে একটি বই লিখেছেন। এ বইয়ে তিনি বলেছেন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণে ম্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। বরং ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করা হয়েছিল।
মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার নথিতে প্রমাণিত হয়েছে যে কোনো স্থানেই খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর নেই। খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরে রাখতেই ষড়যন্ত্র করে তার নামে একের পর এক মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলা মিথ্যা ও বানোয়াট।