এই সরকারকে চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে: ফখরুল

 
 
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বুধবার রাজধানীর বকশীবাজারে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে আহত করার পরও উল্টো নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রহসন করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সরকার ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত আর প্রহসন করতে বড়ই পারঙ্গম। আর এ জন্যই রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে তারা দলীয়করণ করেছে। অপশাসন এবং কুশাসন চালিয়ে পৃথিবীর কোনো স্বৈরাচারেরই পরিণতি শুভ হয়নি। এই সরকারকেও তাদের সকল অনাচার এবং অপকর্মের জন্য চরম পরিনতি ভোগ করতে হবে।’ আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ সব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বকশীবাজারের আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাষ্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া উপস্থিত হলে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা সেখানে সমবেত হন। তিন বাবের প্রধানমন্ত্রী এবং এদেশের গণমানুষের জনপ্রিয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া যখন কোথাও যান তখন সেখানে নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বুধবার জনতার ঢল দেখে পুলিশ সরকারের মদদে বিনা উস্কানীতে নেতা-কর্মীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে প্রায় ৩৫ জন নেতা-কর্মীকে আহত করে। শুধু পুরুষ নেতা-কর্মীই নয় বরং মহিলা দলের নেতা-কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে তাদেরকেও আহত করা হয়। আহতদের অনেকেই এখনও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। হামলা চালানোর একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে চার জন নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। শুধু তাই নয় পুলিশ কর্তৃক হামলা চালানোর দায় বিএনপির ওপর চাপাতে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে ছাত্রদল নেতা ইসাহাক আলী সরকার, সাঈদ হাসান মিন্টু, নাহিদুল ইসলাম নাহিদ এবং শফিউদ্দিন আহমেদ সেন্টুসহ অসংখ্য নেতা-কর্মীর নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি এই মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে পুলিশ কর্তৃক সংঘটিত ঘটনা সরকারের মদদেই হয়েছে। এই আক্রমণটি ছিল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর পূর্বপরিকল্পিত।
 
ইঅ/চৌফে/শ২৭৩