বিচারপতিদের অভিশংসনের বিল জনগণ সমর্থন করে না: ফখরুল

 
 
 
 
 
 
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সংসদে জনগণের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই। জনগণ এই সংসদ গঠনে ভোট দেয়নি। তাই এ সংসদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা দেওয়া হলে তা হবে একটি দলের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া। এ সংসদে বিচারপতিদের অভিশংসনের যে বিল পাস হবে, তা জনগণ সমর্থন করে না। এ বিল পাস হলে যে সব বিচার হবে, তা হবে আওয়ামী বিচার।
আজ রবিবার জাতীয় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে ‘আমরা কজন’ সংগঠনের উদ্যোগে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় আটশ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে মোট ৭৫০ জন শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, জাপান আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র তারা যে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশকে দিয়েছে, আশাকরি তারা তা পালন করবে। সরকার আজকে যে জাপানকে সমর্থন জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে। অথচ ১৯৮৯ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সেই একই পদে জাপানকে হারিয়ে এ পদটি জয় করেছিল বাংলাদেশ।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। সুতরাং তাদের শক্তিশালী মানসিকতা তৈরি করতে হবে। রাজনীতিকে কলুষমুক্ত করার জন্য কাজ করতে হবে।তোমাদের রাজনীতি করতে বলছি না, তবে রাজনীতি সচেতন হতে হবে। আমাদের অনেক হতাশা, দুঃখ, কষ্ট আছে এসব কাটিয়ে পড়াশোনা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। দারিদ্র্য হতাশার হাত থেকে দেশকে টেনে তুলতে হবে। গুম-খুন অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তোমাদের কাজ করতে হবে।
ফখরুল বলেন, আমার পরিবার শিক্ষকের পরিবার। আমি যখন এ ধরনের অনুষ্ঠানে আসি- তখন মনে হয়, আমি নিজের পরিবারে এসেছি। আগের টকশোতে সুন্দর সুন্দর কথা হতো, দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হতো। আর এখন হয় হাতাহাতি, মারামারি। টকশোজীবীদের এসব থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
 
ইঅ/চৌফে/শ২৮১