যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র রাকিব আজাদকে (১৮) গত রোববার একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে আটকে তাঁর পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। না পেয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রাতে তাঁকে শহরের ধর্মতলা এলাকায় ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার রাকিবের মায়ের করা মামলায় দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্ররা হলেন যশোর সদর উপজেলার শেখহাটি আদর্শপাড়ার আকাশ (১৯) ও আশিক (২০)। দুজনই যশোর সরকারি কমার্শিয়াল কলেজের ছাত্র।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ১০টার দিকে পলিটেকনিকের ক্যাম্পাস থেকে স্থানীয় আকাশ ও আশিকসহ তিন তরুণ রাকিবকে ডেকে একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। ক্যাম্পাসে আকাশ ও আশিককে ছাত্ররা এলাকার বড় ভাই হিসেবে চেনে। রাকিবকে ওই ছাত্রাবাসে নিয়ে মুঠোফোনে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঁচ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তাঁরা। বিকাশের মাধ্যমে ওই টাকা পাঠালে রাকিবকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও তঁারা জানিয়ে দেন। রাকিবের পরিবার পুলিশের পরামর্শে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আকাশ ও আশিক রাকিবের বুক, পেট, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটান। এরপর রাকিবকে রাত আটটার দিকে গুরুতর আহতাবস্থায় শহরের ধর্মতলা এলাকায় ফেলে যান। স্থানীয় লোকজন রাকিবকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়।
রাকিব ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কল্যাগাছা গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পলিটেকনিক এলাকায় ছাত্রাবাসে থেকে পড়ালেখা করেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজ মোসাদ্দেক বলেন, গতকাল দুপুরে রাকিবের মা শারমিন সুলতানা তিনজনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করেন। এ ঘটনায় আকাশ ও আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের পকেট থেকে গাঁজা সেবনের কলকেসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
এসআই আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া যুবকদের একটি চক্র রয়েছে। তারা বিভিন্ন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মুঠোফোন ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ সামসুল আলম বলেন, বহিরাগত কিছু ছেলে ক্যাম্পাসে ঢুকে বন্ধুর মতো এখানকার ছেলেদের কাঁধে হাত রেখে চাকু ঠেকিয়ে দিনদুপুরে তাঁদের মুঠোফোনসহ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে গতকাল একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ১০টার দিকে পলিটেকনিকের ক্যাম্পাস থেকে স্থানীয় আকাশ ও আশিকসহ তিন তরুণ রাকিবকে ডেকে একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। ক্যাম্পাসে আকাশ ও আশিককে ছাত্ররা এলাকার বড় ভাই হিসেবে চেনে। রাকিবকে ওই ছাত্রাবাসে নিয়ে মুঠোফোনে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঁচ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন তাঁরা। বিকাশের মাধ্যমে ওই টাকা পাঠালে রাকিবকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলেও তঁারা জানিয়ে দেন। রাকিবের পরিবার পুলিশের পরামর্শে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আকাশ ও আশিক রাকিবের বুক, পেট, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটান। এরপর রাকিবকে রাত আটটার দিকে গুরুতর আহতাবস্থায় শহরের ধর্মতলা এলাকায় ফেলে যান। স্থানীয় লোকজন রাকিবকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়।
রাকিব ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কল্যাগাছা গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পলিটেকনিক এলাকায় ছাত্রাবাসে থেকে পড়ালেখা করেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজ মোসাদ্দেক বলেন, গতকাল দুপুরে রাকিবের মা শারমিন সুলতানা তিনজনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করেন। এ ঘটনায় আকাশ ও আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের পকেট থেকে গাঁজা সেবনের কলকেসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
এসআই আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া যুবকদের একটি চক্র রয়েছে। তারা বিভিন্ন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মুঠোফোন ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ সামসুল আলম বলেন, বহিরাগত কিছু ছেলে ক্যাম্পাসে ঢুকে বন্ধুর মতো এখানকার ছেলেদের কাঁধে হাত রেখে চাকু ঠেকিয়ে দিনদুপুরে তাঁদের মুঠোফোনসহ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে গতকাল একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।