মালিকানা দ্বন্দে সংকটে পড়েছে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইবাইস ইউনিভার্সিটি। এ কারণে শিক্ষার্থীরা পড়েছে দুর্ভোগে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানতে পারছে না- কে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত মালিক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রকৃত মালিক নির্ধারণ করে তাদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয় বুঝিয়ে দেয়া হবে। তবে সমপ্রতি ইউজিসির একটি বিজ্ঞপ্তি নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা জাকারিয়া লিংকন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র ও বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, ড. জাকারিয়া লিংকন উদ্যোক্তা হিসেবে ২০০২ সালের ৬ আগস্ট সরকার থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন নিয়ে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন করে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন। অনুমতি পত্রে ক্যাম্পাসের ঠিকানা দেয়া হয়, বাড়ি-৫, সড়ক-১৬ (পুরাতন-২৭), ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা-১২০৯। জাকারিয়া লিংকন অভিযোগ করেন, সমপ্রতি ইউজিসি একটি বিবৃতিতে অনুমোদনকালীন ঠিকানা ভুলভাবে উত্থাপন করেছে।
জাকারিয়া লিংকন দাবি করেন, অনুমোদনকালীন বাড়ির ঠিকানা পরিবর্তন করে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাড়ি নং-২১/এ, রোড নং-১৬ (পুরাতন-২৭), ধানমন্ডি-১২০৯ এ অনুমোদন পাননি। অথচ একটি চক্র ইউজিসিকে ভুল বুঝিয়ে এই বাড়িটিতে ক্যাম্পাস পরিচালনা অনুমোদন নেন। ধানমন্ডির এই বাড়িটিতে ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলে জাকারিয়া লিংকন জানান।
তিনি ইউজিসির কাছে অভিযোগ করেন, পত্রিকায় উল্লেখিত ঠিকানা অনুমোদনকালীন নয়। এই ঠিকানা প্রকাশ আপিল বিভাগের আদেশের পরিপন্থি। লিংকন দাবি করেন, উক্ত ঠিকানা সংশোধন করে উভয় পক্ষের ঠিকানা প্রকাশের জন্য ইউজিসির কাছে আবেদন।
এর আগে মন্ত্রণালয়ের কাছে তিনি লিখিতভাবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে জোরপূর্বক বিশ্ববিদ্যালয়টি দখলের অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে ড. জাকারিয়া লিংকন বলেন, কয়েকজন ব্যক্তি রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্পাস স্থাপন করে সনদ বিক্রি করছে। ইবাইস ইউনিভার্সিটির একমাত্র মূল ক্যাম্পাস এখন মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটিতে। কাজেই অবৈধ ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রীদের সনদের কোন বৈধতা থাকবে না বলে তিনি জানান। মন্ত্রনালয় মোহাম্মপুরের এ শাখাটির অননুমোদিত বলছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউজিসি পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে এমন কাজ করছে।
ইঅ/চৌফে/শ২৭৬