চবির শিক্ষক বাসে ককটেল হামলা, আহত ১৩

 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বাসে ককটেল হামলা চালিয়েছে শিবিরকর্মীরা। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়জন শিক্ষকসহ ১৩ জন আহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম হাটহাজারি সড়কের নন্দীর হাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষকরা হলেন- সাবরিনা আলম (ফলিত পদার্থবিদ্যা), শিরীন আরা চৌধুরী (ম্যানেজমেন্ট), তানভীর আরিফ (ব্যাংকি), তৈয়ব চৌধুরী (মার্কেটিং), সুদীপ্ত বড়–য়া (পালি বিভাগ), আশরাফুজ্জামন (নৃবিজ্ঞান), ফাতেমাতুজ্জোহরা (সমাজত্ত্ব), সোনম আক্তার (বায়োকেমিস্ট্রি) সুনন্দা বৈদ্য (বায়াকেমিস্ট্র)  ও সৈয়দ হালিমা বেগম  (কেমিস্ট্রি)। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অমল ভূষণ নাগের মেয়ে আনিকা নাগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অমৃতনাথ, বাস চালক আজিজ ও মাহাবুব আহত হয়েছেন।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহম্মদ ইসমাইল জানিয়েছেন, বাসটি শহর থেকে শিক্ষকদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যাচ্ছিল। এসময় নন্দীর হাট এলাকায় চার-পাঁচজন যুবক সিএনজিতে এসে বাসটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
আহতদের উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেয়া হয়। পরে নয়জন শিক্ষককে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদের মধ্যে একজনকে আগেই ছেড়ে দেয়া হয়েছ। বাকি আটজনের মধ্যে চারজনকে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শহীদুল গণি।
এ ঘটনায় হাটহাজারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্হেভাজন হিসেবে দুইজনকে পুলিশ আটক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে বৈধ ছাত্রদের অবস্থানে সুযোগের দাবিতে ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ধর্মঘট চলছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ইসলামী ছাত্রশিবির এই ধর্মঘট আহ্বান করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ধর্মঘট চলাকালে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকবার বিশ্ববিদ্যায়ের শাটল ট্রেন ও শিক্ষক বাসে ককটেল হামলা  ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী ও বাস চালক আহত হয়েছেন।