রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানের সীমানপ্রাচীর নির্মাণ বিষয়ে হাইকোর্টে ব্যাখ্যা দিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমদ। আজ বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি এই ব্যাখ্যা দেন।
এ সময় আরো আদালতে লালবাগ জোনের ডিসি ও লালবাগ থানার ওসি আদালতে হাজির ছিলেন।
‘আদালতের আদেশ মানতে কি সমস্যা ছিলো’- ডিএমপি কমিশনারের কাছে এই কথা জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, কবরস্থানের দেয়াল পুননির্মাণ নিয়ে সিটি করপোরেশন আমাদের ১৬টি চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে তারিখ ও ফোর্স মোতায়েনের বিষয়গুলো নির্দিষ্ট করে ছিলো না। কবরস্থানের ৯০ শতাংশ দেয়াল ভাঙা হয়েছে। লালবাগ থানার ওসি বিষয়টি নিয়ে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। পরে গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে আদালতের আদেশ মোতাবেক কাজ শুরু হয়েছে।
এ সময় আদালত বলেন, কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত আপনি তদারকি করবেন।
হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আজিমপুর কবরস্থানের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ না করায় গত ১ সেপ্টেম্বর এই তিনজনকে তলব করা হয়।
ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানের পশ্চিমাংশ ভেঙে রাস্তা নির্মাণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের প্রেেিত আদালত সীমানা নির্ধারণের নির্দেশ দেন। কিন্তু আদালতের এ আদেশ না মানায় সংশ্লিষ্ট বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হলে এ সংক্রান্ত রুল জারি করা হয়। পরে এই সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দেন। ঐ আদেশ বাস্তবায়ন না করায় তাদের তলব করেন আদালত।