চট্টগ্রামের একটি আদালতে এক নারী পুলিশ কর্মকর্তা ও তার সাংবাদিক স্বামীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার ‘অপব্যবহারের’ অভিযোগ করেছেন মাহবুব মোর্শেদ নামে এক ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ওবায়দুস সোবহানের আদালতে তিনি এ অভিযোগ করেন।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার (বন্দর) মাহমুদা বেগম, তার স্বামী জালাল উদ্দিন সাগর, চান্দগাঁও থানার এসআই হাফিজ, এএসআই খালেদ ও ইব্রাহীম মাসুদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়। জালাল উদ্দিন সাগর চট্টগ্রামভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম সিটিজিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকের প্রতিবেদক।
অভিযোগে বলা হয়, ঐ পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্বামী অন্যদের নিয়ে তিন সন্তানসহ তাকে দুই দিন থানায় আটকে রাখেন।
বাদীর আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল আদালতে বলেন, এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানা ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা না নেয়ায় আদালতে এসেছেন তারা।
বিচারক অভিযোগ গ্রহণ করে থানা ও দুদকে মামলা না নেয়ার বিষয়টি অনুসন্ধান করতে নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন।গোয়েন্দা পুলিশের অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে আদালত দিবে বলে জানা গেছে।
ব্যবসায়ী মাহবুব মোর্শেদ বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষয়ে আমার স্ত্রী আদালতে একটি মামলা করেন। এতে আমার ঠিকানা দেয়া হয় পাহাড়তলি এলাকায়। আমি সন্তানদের আটকে রেখেছি বলে তাতে অভিযোগ করা হয়। এ মামলার পর গত ৩ অগাস্ট আমার চান্দাগঁও এলাকার বাসায় পুলিশ গিয়ে তিন সন্তানসহ আমাকে চান্দগাঁও থানায় নিয়ে আসে। এ সময় জালাল উদ্দিন সাগরও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ কর্মকর্তা স্ত্রীর ক্ষমতা দেখিয়ে জালাল উদ্দিন তাকে আটক করতে অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যদের বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মাহবুবের দাবি, ধরে আনার পর তিন শিশু সন্তানসহ চান্দগাঁও থানায় তাকে দুই দিন আটকে রাখা হয়। গত ৫ অগাস্ট মাহবুবের তিন সন্তানকে আদালতে হাজির করা হয়।