রাজধানীর মিরপুরে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র মাহিদুল ইসলাম ইমন খুনের ঘটনায় নবম শ্রেণীর ছাত্র পিয়াসসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপর আসামির নাম সুজন। সে ভাড়াটে কিলার বলে পুলিশ দাবি করেছে। তাদের কাছ থেকে পুলিশ রক্তাক্ত ছুরি ও রক্তমাখা শার্ট উদ্ধার করে। ঘটনার দিন রাতেই সুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
রবিবার রাতে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের ১ নম্বর সড়কের নিজবাসার সামনে খুন হয় ইমন। নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম রাতেই মিরপুর মডেল থানায় পিয়াস, সুজন ও জীবন নামে তিনজনসহ অজ্ঞাত ৪০-৫০জনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ রাতে সুজনকে গ্রেফতার করে। মিরপুরের-৬ নম্বর সেকশনের মিরপুর আদর্শ বিদ্যানিকেতন স্কুলের সপ্তম শ্রেণীতে পড়তো ইমন।
মিরপুর থানার ওসি সালাউদ্দিন খান জানান, মিরপুর বেনারসী পল্লী এলাকার ছেলেদের মধ্যে গত রোজার মাসে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সিনিয়র ও জুনিয়র গ্রুপের মধ্যে তাদের বিরোধ ছিল চরমে। এর জের ধরে ইমনকে হত্যা করে পিয়াসের লোকজন। আর এই হত্যার জন্যে পিয়াস ভাড়া করে সুজনকে। সুজনকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে রক্তাক্ত ছুরি ও তার রক্তমাখা শার্ট উদ্ধার করা হয়। তার দেয়া তথ্য মতে সোমবার মিরপুর এলাকা থেকে পিয়াসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। পিয়াস স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল সকালে নিহত ইমনের মৃতদেহ পরিবারের কাছে হন্তান্তর করা হয়েছে।