সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় দেলোয়ার হোসেন রিপন ও ফরিদ আহমেদ এলাইছ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান নামে দুই হরকাতুল জিহাদ নেতাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেটের এএসপি মেহেরুন্নেছার আবেদনের প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া বেগমের আদালত এ আদেশ দেন। এ মামলায় তিনি মুফতি হান্নানকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানালে তাকে জেল গেইটে একদিন জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন আদালত। মামলার আইনজীবী ও আদালত সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ নিয়ে ঐ মামলায় ১২ জনকে গ্রেফতার দেখানো হলো। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হচ্ছেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, হরকাতুল জেহাদ নেতা মুফতি হান্নান, নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার আমডাংগা গ্রামের মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিলাহ (২৯), গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড় উপজেলার হিরণ গ্রামের হুজি নেতা মুফতি হান্নানের ভাই মুহিব উলাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি (৩০), চাঁদপুর জেলা সদরের মৈশাদি গ্রামের শরীফ শাহেদুল আলম ওরফে বিপুল (৩৮), সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সাহারপাড় গ্রামের হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফ ওরফে নিমু (৩০), হবিগঞ্জ জেলা শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার মো. বদরুল আলম মিজান (৩০), বানিয়াচং উপজেলার সিকান্দরপুর গ্রামের মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ওরফে মিঠু, ভারতের কাশ্মীরের ইসলামাবাদ জেলার কুলগাঁও থানার তেরিগাঁও গ্রমের মো. আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে ইউসুফ ভাট (৪২) ও নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা গ্রামের বদরুল ওরফে মো. বদরুল।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি মেহেরুন্নেছা বলেন, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব তাড়াতাড়ি চার্জশিট দেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন।
ঢাকায় চিকিত্সারত মামলার আইনজীবী আলমগীর ভূঁইয়া বাবুল বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে অনেক ঝুঁকি নিয়ে নিজের দায়িত্ববোধ থেকে নারাজি দিয়েছি। বার বার তদন্তে অনেক তথ্য উপাত্ত দেয়া থাকলে প্রকৃত আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। আশা করছি এখন অধিকতর তদন্তে প্রকৃত অপরাধীরা বেরিয়ে আসবে।