খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশর বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচার বিভাগে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। তিনি বলেন, আমাদের সৌভাগ্য স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাচ্ছে। এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন ও দক্ষিণ এশিয়া সাহিত্য সাংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে ‘চলমান রাজনীতি: মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাঈদীর রায়ের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলে দেশে পুনরায় অগণতান্ত্রিক সরকার আসত। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার দেশের শাসনভার হাতে নিয়েছে। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতাও বজায় রয়েছে।
‘বিএনপি-জামায়াত ও ড. কামাল এক সুতায় বাঁধা’ উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যখন দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তখন তারা একত্রিত হয়ে উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে। এ সব নব্য ইতিহাস বিকৃতিকারীরা ওয়ান ইলেভেন পরিস্থিতি পুনরায় সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আশরাফুননেসা মোশাররফ প্রমুখ।