সাতছড়ি থেকে ফের গোলাবারুদ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চল সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের টিপরা পল্লী থেকে আবারো গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে র্যাব। এ নিয়ে তৃতীয় দফা এই এলাকায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনা ঘটলো। বুধবার সকালে টিপরা পল্লীর অর্জিত দেব বর্মার ছাগল রাখার ঘরের মাটির নীচ থেকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ঢ্যাঙ্ক বিধ্বংসী ১১২টি গোলা ও ৪৮টি রকেট লাঞ্চারের চার্জার উদ্ধার করেছে র্যাব।

র্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ হাসান জানান, তিনদিন ধরে র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের সদস্যরা চলমান আভিযান পরিচালনা করছেন। বুধবার সকালে ব্যাঙ্কারের সন্ধান পায়। এই ঘরটিতে টিপরা বাসিন্দারা ছাগল রাখতেন। দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি পরিত্যক্ত ছিল। সকালে ঘরের মাটি খুঁড়ে একটি বাঙ্কারের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে বাঙ্কারটি ভেঙ্গে এসব গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ২৯ আগষ্ট সাতছড়ি গভীর জঙ্গল থেকে পরিত্যক্ত দুটি কুপ থেকে ৯টি এসএমজি, ১টি এস এম সি, ১টি বেটাগান, ১টি অটো রাইফেল, ৬টি এসএলআর, ২টি এলএমজি, ১টি স্নাইপার টেলিস্কোপ ও ২ হাজার গুলি উদ্ধার করা হয়। ৩ জুন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অভিযান চালিয়ে টিপরা পল্লী থেকে ৪টি মেশিনগান, মেশিনগানের অতিরিক্ত ব্যারেল ৫টি, ২২২টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৪৮টি রকেটের চার্জার, ১ হাজার ৩২০টি মেশিনগানের বুলেট, ১১ হাজার ৬৬৭টি বুলেট  উদ্ধার করে র্যাব।
র্যাবের ঐ কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন, ধারণা করা হচ্ছে আগে যে দুইটি অভিযান চালিয়ে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল, এই গোলাবারুদ সেটিরই অংশ। তবে এই গোলাবারুদ বাংলাদেশের জন্য ব্যবহারের জন্য আনা হয়নি। কারণ এ ধরনের গোলাবারুদ দেশে কোন সন্ত্রাসী চক্র ব্যবহার করে না। পার্শ্ববতী দেশের কোন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এই গোলাবারুদগুলো এনেছিল কি-না তা তদন্ত হচ্ছে।