বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডের প্রতিবাদে দলটি বৃহস্পতিবার ও রোববার সারা দেশে হরতালের ডাক দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতালে পাবনার ঈশ্বরদীতে জামায়তই মাঠে নেই। এখানে দলটির অনেক নেতা বৃহস্পতিবারের হরতালে দোকানপাট খোলা রাখেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঈশ্বরদী পৌর কমিটির সেক্রেটারি বাকি বিল্লাহ দীর্ঘ কারাভোগের পর ২ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান। দলের একজন সক্রিয় নেতা হলেও শহরের আলহাজ মোড়ে ‘খান মটরস’ নামে তাঁর দোকানটি বৃহস্পতিবার পুরোপুরি খোলা ছিল। বেচাকেনাও হয়েছে বেশ। হরতাল ডেকে দোকান খোলা রাখা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাকি বিল্লাহ বলেন, ‘আমি এলাকায় নেই। অন্য কেউ দোকান খুলতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো স্থানীয় রাজনীতি করি। ব্যবসার ক্ষেত্রে কিছু বলা যায় না।’
ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদের সক্রিয় সদস্য এবং মাঝদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট রফি উদ্দিন খানও আজ তাঁর দোকান খোলা রাখেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যবসা চলবে ব্যবসার নিয়মে, সেখানে আবার হরতাল কী?’
পৌর জামায়াতের সদস্য সেলিম খানের ‘সেলিম স্টোর’ নামের প্রতিষ্ঠানটি সারা দিন খোলা ছিল। শহরের রেলগেটে সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া জামায়াতের সদস্য আকাতুল্লার ‘নিউ খান বুক হাউস’ বৃহস্পতিবার সারা দিন খোলা রাখা হয়। শহরের স্টেশন রোড ও বাজারে জামায়াতের অনেক সক্রিয় সদস্যের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা দেখা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিবিরের সাবেক এক নেতা বলেন, হরতালে হয়তো জামায়াত নেতাদের সমর্থন নেই। এই জন্য তাঁরা দোকানপাট খোলা রেখেছেন।
ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্ম পরিষদের সক্রিয় সদস্য এবং মাঝদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট রফি উদ্দিন খানও আজ তাঁর দোকান খোলা রাখেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যবসা চলবে ব্যবসার নিয়মে, সেখানে আবার হরতাল কী?’
পৌর জামায়াতের সদস্য সেলিম খানের ‘সেলিম স্টোর’ নামের প্রতিষ্ঠানটি সারা দিন খোলা ছিল। শহরের রেলগেটে সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া জামায়াতের সদস্য আকাতুল্লার ‘নিউ খান বুক হাউস’ বৃহস্পতিবার সারা দিন খোলা রাখা হয়। শহরের স্টেশন রোড ও বাজারে জামায়াতের অনেক সক্রিয় সদস্যের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা দেখা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিবিরের সাবেক এক নেতা বলেন, হরতালে হয়তো জামায়াত নেতাদের সমর্থন নেই। এই জন্য তাঁরা দোকানপাট খোলা রেখেছেন।