বিচার বিভাগকে কলুষমুক্ত করতেই সংবিধান সংশোধন : নাসিম


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিচার বিভাগকে কলুষমুক্ত করতেই সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী করা হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ৩য় আন্তর্জাতিক হোমিওপ্যাথি সম্মলেনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দু’একজন বিচারকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে সকল বিচারক অসম্মানিত হতে পারেন না। তাই সংবিধান সংশোধন করে বিচারপতি অভিসংশনের আইন সংসদে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড ও এশিয়ান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল লীগের যৌথ আয়োজনে ৩ দিন ব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. দিলীপ কুমার রায়।
এছাড়াও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম. বদরুদ্দোজা, এশিয়ান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এমএ কাদের, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের সদস্য অধ্যক্ষ ডা. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পৃথিবীর সকল গণতান্ত্রিক দেশে এ আইন রয়েছে। সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বিধায় বিচার অঙ্গণকে কলুষমুক্ত রাখতে চায়। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী কোনো মার্শাল ‘ল দ্বারা হয়নি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে এ সংশোধনী আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সম্মান বৃদ্ধি করবে। বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের মধ্যে অভিজ্ঞতার বিনিময় হবে। আগামী ৭-৯ নভেম্বর সনাতনী ঔষধের উপর দিল্লীতে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ভারত-বাংলাদেশ এ অঞ্চলের প্রাচীন চিকিৎসায় এগিয়ে আছে। প্রাচীন এ চিকিৎসা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক আদান-প্রদান করতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, আপনাদের অনেক সুযোগ দিয়েছে সরকার। অনেক ক্ষেত্রে আপনারা এগিয়ে আছেন। আপনাদের কাজ হচ্ছে স্বল্প মূল্যে মানুষকে সেবা দেওয়া। এ চিকিৎসায় দেশজ উপাদান ব্যবহার করা হয়। আমি আপনাদের সঙ্গে বসে, আপনাদের আরও যে সকল সমস্যা রয়েছে তা সমাধান করবো।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে, আমি-আপনি কেউ এখানে বসে থাকতে পারতাম না। দেশে থাইল্যা-ের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। সামরিক শাসন জারি হতো। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। গণতন্ত্রের অনেক সুবিধা ও অসুবিধা আছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচন হয়েছে। তাই শেখ হাসিনার বিকল্প শেখ হাসিনাই।
টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশ সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে নাসিম বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনেও মানুষ আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে।