চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নার্স–সংকট তীব্র আকার ধারণ করায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। ফলে কর্মরত নার্সদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৩১ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ২০০৬ সালের ১৬ মার্চ ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও বর্তমানে নার্স–সংকটের কারণে রোগীরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নার্সের ১৬টি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন একজন পুরুষসহ সাতজন। পুরুষ নার্সকে আবার বহির্বিভাগেও দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে ছয়জন নার্সকে পালা করে দায়িত্ব পালন করতে হয় অন্তর্বিভাগে। বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৩২ জন চিকিৎসকের মধ্যে ২৯ জন কর্মরত থাকলেও নেই পর্যাপ্ত নার্স।
৮ সেপ্টেম্বর সকালে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, পুরুষ, মহিলা ও শিশু মিলে ৬৬ জন রোগী ভর্তি আছে। তার মধ্যে ২৯ জনই শিশু রোগী। এত রোগীকে সেবা দিচ্ছিলেন মাত্র দুজন নার্স। ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগী ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের ইনজেকশন ও স্যালাইন দিতে হচ্ছিল। কর্মরত দুজন নার্স দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাই হিমশিম খাচ্ছিলেন। ওয়ার্ডে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সেবিকা শিপ্রা দত্ত বলেন, ‘এক মাস ধরে কঠিন পরিস্থিতি পার করছি। দুদিন পর পর নৈশকালীন দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ছুটিও নিতে পারছি না।’
আরেক সেবিকা উপাসনা দে বলেন, ‘মাঝেমধ্যে রোগী ৮০ জনের ওপরে চলে যায়, তখন কষ্টের শেষ থাকে না। রোগী সামাল দেব, নাকি তাদের অভিযোগ শুনব বুঝতে পারি না।’ জানতে চাইলে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) গোলাম মোহাম্মদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা খুব কষ্টে আছি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোও হয়েছে।’ আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছি, দেখি কী হয়।’
৮ সেপ্টেম্বর সকালে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, পুরুষ, মহিলা ও শিশু মিলে ৬৬ জন রোগী ভর্তি আছে। তার মধ্যে ২৯ জনই শিশু রোগী। এত রোগীকে সেবা দিচ্ছিলেন মাত্র দুজন নার্স। ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগী ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের ইনজেকশন ও স্যালাইন দিতে হচ্ছিল। কর্মরত দুজন নার্স দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাই হিমশিম খাচ্ছিলেন। ওয়ার্ডে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সেবিকা শিপ্রা দত্ত বলেন, ‘এক মাস ধরে কঠিন পরিস্থিতি পার করছি। দুদিন পর পর নৈশকালীন দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ছুটিও নিতে পারছি না।’
আরেক সেবিকা উপাসনা দে বলেন, ‘মাঝেমধ্যে রোগী ৮০ জনের ওপরে চলে যায়, তখন কষ্টের শেষ থাকে না। রোগী সামাল দেব, নাকি তাদের অভিযোগ শুনব বুঝতে পারি না।’ জানতে চাইলে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) গোলাম মোহাম্মদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা খুব কষ্টে আছি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানোও হয়েছে।’ আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সিভিল সার্জনকে জানিয়েছি, দেখি কী হয়।’