ফেলানী হত্যার ন্যায় বিচার না পেয়ে গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর ভারতীয় হাই-কমিশনারের মাধ্যমে ভারত সরকাররে কাছে পুর্নবিচারের আবেদন করেন ফেলানীর বাবা। পরে বিজিবি-বিএসএফ’র দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুর্নবিচারে সম্মত হয় বিএসএফ। এরই ধারাবাহিকতায় ফেলানী হত্যার বিচার র্কাযক্রম আবারো শুরু হচ্ছে।
ভারতের কুচবিহারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সেক্টর হেড কোর্য়াটারের বিশেষ আদালতে সোমবার এ বিচার শুরু হচ্ছে।
কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ গনমাধ্যমকে জানান, বিশেষ আদালতের স্পেশাল সিকিউরিটি র্ফোস র্কোটে এ বিচার কাজ হবে। দুই-এক দিনের মধ্যে সাক্ষ্য দিতে ভারত যাবেন ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম, মামা আবদুল হানিফ, ৪৫ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ ও পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকন।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানী তার বাবার সঙ্গে ভারত থেকে ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে দালালের মাধ্যমে বাড়ি ফেরার সময় নিহত হয়। মই বেয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ-এর গুলিতে প্রাণ হারায় সে। নিহত হওয়ার পর র্দীঘ ৪ ঘণ্টা কাটাতারের বেড়ায় ঝুলেছিল তার লাশ। এ ঘটনায় দেশ-বিদেশর গণমাধ্যম ও মানবাধিকারর্কমীরা ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তোলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালরে ১৩ আগস্ট ভারতের কুচবিহারের বিএসএফ-এর বিশেষ আদালতে এই হত্যার বিচার র্কাযক্রম শুরু করে দেশের সরকার। ওই বছর ৬ সেপ্টেম্বর এ মামলার অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেন বিশেষ আদালত।