ঢাকায় ভাইয়ের কাছে বেড়াতে এসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে মারা গেছেন সোহাগ (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্র। সোমবার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে উত্তরা যাবার পথে বাসের ভেতর প্রতারক চক্রের সদস্যরা সোহাগকে অজ্ঞান করে টাকা পয়সা নিয়ে যায়। অচেতন অবস্থায় প্রথমে তাকে একটি ক্লিনিকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সোহাগ কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার শ্রীরাইচরের বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র। তিনি শহীদ নজরুল ইসলাম সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
সোহাগের বড় ভাই নাহিদ হাসান জানান, সোমবার সকালে দাউদকান্দি থেকে ঢাকায় আসে সোহাগ। বাস থেকে সায়দাবাদ বাস টার্মিনালে নামার পর তার সঙ্গে কথা হয়। সোহাগকে বলেছিলাম উত্তরার একটি বাস ধরে ১২ নম্বর সেক্টরে তার বাসায় আসতে। সোহাগ উত্তরার একটি বাসে চড়ে। এর কিছু সময় পর বাসে থেকেই ফোন করে জানায়, তাকে কারা যেন কি করেছে, মাথা ঘোরায়, বমি আসে আবার শুধু ঘুম পায়। এর পর তার মোবাইল বন্ধ। এর কিছুক্ষন পরে তিনি খবর পান তার ভাইকে মানিকনগরের মনোয়ারা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, অচেতন ভাইয়ের খবর নিতে তিনি ছুটে আসেন ক্লিনিকে।
সেখানের স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাসের হেলপার সোহাগকে অচেতন অবস্থায় গোলাপবাগের রাস্তায় ফেলে গেছে। মনোয়ারা ক্লিনিক থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিকাল সোয়া ৫টায় সোহাগকে মৃত বলে ঘোষনা করেন চিকিত্সকরা। তিন ভাইয়ের মধ্যে সোহাগ সবার ছোট। তার বড় ভাই উত্তরার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র । তিনি উত্তরা ১২ নং সেক্টরের একটি মেস বাসায় থাকেন।