গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর ফটক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময়ে ওই এলাকার বেশ কিছু দোকানপাট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের একটি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন ভিএক্স-এর (ভার্সিটি এক্সপ্রেস) নেতা আশরাফুজ্জামানসহ কয়েকজন ২ নম্বর ফটক এলাকায় গেলে ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া করেন। এ খবর জানাজানি হলে শাহজালাল হলে অবস্থানরত ভিএক্সের কর্মীরা জড়ো হয়ে ২ নম্বর ফটক এলাকায় গিয়ে তাঁদের পাল্টা ধাওয়া দেন। এ সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সাত-আটটি ফাঁকা গুলি বিনিময় হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা আশরাফুজ্জামান ধাওয়া দিলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আমরাও গুলির শব্দ শুনেছি। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে এর কোনো প্রমাণ পাইনি।’
এ ব্যাপারে ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন মামুন বলেন, ‘ভিএক্স গ্রুপের কর্মীরা আমাদের জুনিয়র ছেলেদের অস্ত্রের ভয় দেখালে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দেয়।’
অপর দিকে ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কিছু নেতা-কর্মী ২ নম্বর ফটকে গেলে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁদের লক্ষ করে গুলি ও ধাওয়া করা হয়। আমরা এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করব।’
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন ভিএক্স-এর (ভার্সিটি এক্সপ্রেস) নেতা আশরাফুজ্জামানসহ কয়েকজন ২ নম্বর ফটক এলাকায় গেলে ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া করেন। এ খবর জানাজানি হলে শাহজালাল হলে অবস্থানরত ভিএক্সের কর্মীরা জড়ো হয়ে ২ নম্বর ফটক এলাকায় গিয়ে তাঁদের পাল্টা ধাওয়া দেন। এ সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সাত-আটটি ফাঁকা গুলি বিনিময় হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা আশরাফুজ্জামান ধাওয়া দিলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। আমরাও গুলির শব্দ শুনেছি। কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে এর কোনো প্রমাণ পাইনি।’
এ ব্যাপারে ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন মামুন বলেন, ‘ভিএক্স গ্রুপের কর্মীরা আমাদের জুনিয়র ছেলেদের অস্ত্রের ভয় দেখালে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দেয়।’
অপর দিকে ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কিছু নেতা-কর্মী ২ নম্বর ফটকে গেলে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁদের লক্ষ করে গুলি ও ধাওয়া করা হয়। আমরা এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করব।’