ময়লায় দখল মহাসড়কের অর্ধেক

‘ময়লায় মহাসড়কের অর্ধেকই দখল হয়ে যাওয়ায় কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিদিনই আমাদের যানজটে পড়তে হয়। তখন দুর্গন্ধে যাত্রীরা অস্থির হয়ে যায়। আমাদের তো কিছু করার থাকে না।’ ঢাকা থেকে সোনারগাঁগামী যাত্রীবাহী বাস নাদিম এন্টারপ্রাইজের চালক নুর জামান এভাবে বর্ণনা দিলেন মহাসড়কে ময়লা পড়ে থাকার ব্যাপারে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব প্রান্তের কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কের প্রায় অর্ধেক অংশজুড়ে ময়লা-আবর্জনা ফেলে হচ্ছে। এতে এই অংশে যানজট বেড়েই চলেছে। দুর্গন্ধে যানজটে আটকে পড়া গাড়ির যাত্রীদের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম হয়।
কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যবসায়ী আবুল খায়ের বলেন, ‘এভাবে মহাসড়কের ওপর ময়লা-আবর্জনা না ফেলতে বহুবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু কাঁচপুর বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা আমাদের কথা মানছেন না। কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীরা রাতে আবর্জনা ফেলে মহাসড়কের প্রায় অর্ধেক অংশ দখল করে ফেলেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও ময়লা এনে এখানে ফেলেন। সড়কটি দেখভালের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।’
কাঁচপুর বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ইয়াছিন বলেন, ‘কোথাও ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গা না থাকায় আমরা বাধ্য হয়ে এখানে ফেলি। তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও মহাসড়কের এখানে এসে ময়লা ফেলে যান।’
কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক বলেন, ময়লায় মহাসড়কের অর্ধেক দখল হয়ে থাকায় কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পথচারীরা দুর্ভোগে পড়েন। সওজ নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাতিমা রসনিয়া বলেন, ‘মহাসড়কের ওপর ময়লা না ফেলতে আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু তাঁরা মানছেন না।’ সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু নাসের ভূঁইয়া বলেন, মহাসড়কের ওপর ময়লা ফেলায় সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।