নিউইয়র্কে গত শুক্রবার প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে অর্থমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ থেকে আসা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘প্রবাসীদের এখন আর দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি না। কারণ, জাপান, চীন ও ভারতের মতো দেশ বড় পুঁজি নিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার জন্য এখন প্রস্তুত। বাংলাদেশের বর্ধিত অর্থনৈতিক চাঞ্চল্যে এখন বিনিয়োগের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।’
নগরের লাগার্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহ্মদ, রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহমেদুল কবীর, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম এ মোমেন, ব্যবসায়ী নেতা মাসুদ হাসান, জাকারিয়া জিকু, সাঈদ রহমান মান্নান, ইমরান কে ভুলু, বেলাল চৌধুরী, হেলাল উদ্দিন, বেদারুল ইসলাম বাবলা, মনোয়ারা হাকিম প্রমুখ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের সুযোগ বাংলাদেশ ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। এশিয়ার বিস্ময়কর অর্থনৈতিক চাঞ্চল্যের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আমলাতন্ত্রে যেমন সমস্যা আছে, তেমনি ঠগ-জালিয়াতদের ঠেকাতে আমাদের নানা ধরনের নিয়মকানুন আরোপ করতে হয়।’ তিনি প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগ করা অর্থ লাভসহ আপনারা ফেরত নিয়ে আসতে পারবেন।’
নগরের লাগার্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহ্মদ, রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহমেদুল কবীর, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম এ মোমেন, ব্যবসায়ী নেতা মাসুদ হাসান, জাকারিয়া জিকু, সাঈদ রহমান মান্নান, ইমরান কে ভুলু, বেলাল চৌধুরী, হেলাল উদ্দিন, বেদারুল ইসলাম বাবলা, মনোয়ারা হাকিম প্রমুখ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের সুযোগ বাংলাদেশ ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। এশিয়ার বিস্ময়কর অর্থনৈতিক চাঞ্চল্যের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে আমলাতন্ত্রে যেমন সমস্যা আছে, তেমনি ঠগ-জালিয়াতদের ঠেকাতে আমাদের নানা ধরনের নিয়মকানুন আরোপ করতে হয়।’ তিনি প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগ করা অর্থ লাভসহ আপনারা ফেরত নিয়ে আসতে পারবেন।’