মঙ্গলবার সকালে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মেছের আলী মুন্সিকান্দি গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মাদবরকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তাঁর ভাই জসিম মাদবরকে (৫০) কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও গ্রামবাসীর কাছ থেকে জানতে পারা ঘটনার বর্ণনা এরকম, মেছের আলী মুন্সিকান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মাদবর গতকাল সকাল নয়টার দিকে জেলা শহরে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথে ওই গ্রামের দাউদ খানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা নুরুল ইসলাম ও তাঁর ভাই জসিম মাদবরকে কুপিয়ে জখম করে। সন্ত্রাসীরা নুরুলের ডান হাত ও ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর দেড় ঘণ্টা মাটিতে ফেলে রাখে। এ সময় ভয়ে কেউ সামনে যাওয়ার সাহস পায়নি। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পৌনে ১২টার দিকে নুরুল ইসলাম মারা যান। জসিম মাদবরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।
এদিকে নুরুল ইসলামের যাতে চিকিৎসা না হয়, সে জন্য দাউদ খান লোকজন নিয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসাসেবায় বাধা দেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে সরোয়ার্দি মাদবর, দুদু মিয়া মাদবর ও চুন্নু মাদবরকে আটক করে। তবে দাউদ খান পালিয়ে যান।
গ্রামবাসী জানান, দাউদ খানের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই ইউসুফ খানের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ২৩ জুন রাতে দাউদ খানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা ইউসুফ খানকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ইউসুফ খান সুস্থ হন। ইউসুফ খানকে হত্যাচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি দাউদ খান। ইউসুফ খানের পক্ষে নুরুল ইসলাম মামলা দেখাশোনা করতেন।
মোতাহার হোসেনের বড় ভাই মোজাম্মেল মাদবর বলেন, ‘অসহায় ইউসুফ খানকে সহযোগিতা করায় দাউদ খান আমার বাবার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি তাঁকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, জরুরি বিভাগে আনার ১৫ মিনিটের মধ্যেই নুরুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে নুরুল ইসলামের যাতে চিকিৎসা না হয়, সে জন্য দাউদ খান লোকজন নিয়ে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসাসেবায় বাধা দেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে সরোয়ার্দি মাদবর, দুদু মিয়া মাদবর ও চুন্নু মাদবরকে আটক করে। তবে দাউদ খান পালিয়ে যান।
গ্রামবাসী জানান, দাউদ খানের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই ইউসুফ খানের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ২৩ জুন রাতে দাউদ খানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা ইউসুফ খানকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ইউসুফ খান সুস্থ হন। ইউসুফ খানকে হত্যাচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি দাউদ খান। ইউসুফ খানের পক্ষে নুরুল ইসলাম মামলা দেখাশোনা করতেন।
মোতাহার হোসেনের বড় ভাই মোজাম্মেল মাদবর বলেন, ‘অসহায় ইউসুফ খানকে সহযোগিতা করায় দাউদ খান আমার বাবার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি তাঁকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, জরুরি বিভাগে আনার ১৫ মিনিটের মধ্যেই নুরুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।