সামনে ঈদ উল আযহা। ছুটিতে স্ত্রী খাদিজা বেগম (৩৫), ২২ দিনের শিশুপুত্র ওবায়দুল্লাহ ও শাশুড়ি সেতারা বেগমকে(৬০) নিয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালি গলাচিপার উদ্দেশে সাভারের বাসা থেকে বের হয়েছিলেন প্রাইভেটকার চালক ওহাব মিয়া (২৮)। গাবতলী থেকে ওয়াটার বাসে করে পৌছান ওয়াইজ ঘাটে। সেখান থেকে নৌকায় করে পটুয়াখালীগামী এমভি পূর্বানী লঞ্চে ওঠার জন্য মাঝ নদীতে যান। নৌকা থেকে পূবালী লঞ্চ ওাঠার সময় ও একটি তেলবাহী নৌযানের মাঝে পড়ে যায় নৌকাটি। লঞ্চ ও তেলবাহী নৌযানের চাপ খেয়ে ডুবে যায় নৌকাটি। এসময় শিশু ওবায়দুল্লার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মা খাদিজা ছিন্ন হয় দু’পা ও থেঁতলে যায় মাথা। আহত হয় ওহাব মিয়া। আর পানিয়ে তলিয়ে যায় সেতারা বেগম । তার সন্ধান মেলেনি। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকাল সাড়ে টার ১০ দিকে রাজধানীর সদর ঘাট এলাকায় বুঙ্গিগড়ায়। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জামালউদ্দিন জানান, নৌকায় করে লঞ্চে ওঠার মুহূর্তে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খাদিজা বেগম ও ওয়ায়দুলের লাশ উদ্ধার করে মির্টফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে সন্ধ্যায় শহীদুল ইসলামের ভাই মোহাম্মদ ইউসুফ লাশ বুঝে নিয়েছেন। তিনি জানান, সেতারা বেগম নিখোঁজ রয়েছেন। ফায়ার বিগ্রেডের ডুবুরিয়া ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে তার সন্ধান পায়নি। আহত ওহাব মিয়াকে ভর্তি করা হয়েছে মিডফোর্ড হাসপাতালে।