হজ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী খুব শিগগির দেশে ফিরছেন না। মন্ত্রিসভা থেকে ‘অব্যাহতি’ ঘোষণার পরও তিনি দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কানাডা প্রবাসী কন্যা নন্দিনী নাজরীনের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত লতিফ সিদ্দিকী আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অথবা কানাডায় অবস্থান করতে পারেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এ দিকে, নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক জানান, ‘লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হলে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে নাকি কানাডায়, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এ দিকে লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে নানান মহলে জল্পনা-কল্পনা চলছে। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়েছে দেশের বিভিন্ন আদালতে। গ্রেপ্তারের নির্দেশ চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদনও করা হয়েছে। ইসলামি সমমনা কয়েকটি সংগঠন ইতিমধ্যে তাকে নাস্তিক ঘোষণা করে শাস্তির দাবি জানিয়েছে। মঙ্গলবারও নিউইয়র্কে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন সংগঠন। এ সব পরিস্থিতিতে লতিফ সিদ্দিকীর দেশে ফেরা একপ্রকার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রবীণ সাংবাদিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লতিফ সিদ্দিকী যুক্তরাষ্ট্রে অনেক বছর আগে একবার রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। কিন্তু নিস্পত্তির আগেই তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন। তাকে নিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হলে তিনি আবারো রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নাকি মেয়ের আবাসস্থল কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবেন তা নিশ্চিত করা বলা যাচ্ছে না।