একই দিনে নবমী ও দশমী

 
দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আগামীকাল সমাপন ঘটবে হিন্দু সমপ্রদায়ের সবচে’ বড় উত্সব শারদীয় দুর্গা পুজা। শুক্রবার একই দিনে নবমী ও দশমী তিথির কারণে শেষ হয়েছে পুজার আনুষ্ঠানিকতা। নবমী তিথি আজ সকাল ৬-৫৪ মিনিট পর্যন্ত থাকার পরে দশমী তিথি শুরু হয়। দিবাগত শেষ রাত্রি ৪-৩৭ মিনিট পর্যন্ত থাকবে দশমী। একাদশী শুরু হবে শনিবার অপরাহ্ন ২-১৩ মিনিটে। ফলে তার আগেই প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে।
নির্ঘন্ট অনুসারে শুক্রবার প্রাতঃ ৬/৫৪ মধ্যে শারদীয়া দূর্গাদেবীর কেবল মহানবমী কল্পারম্ভ ও মহানবমী বিহিত পূজা প্রশস্তা। দিবা ৮-৫৯ গতে পূর্বাহ্ন ৯-৫৮ মধ্যে বীরাষ্টমী ও মহাষ্টমীব্রতের পারণ। শারদীয়ার নবরাত্রিক ব্রত সমাপন। শেষ রাত্রি ৪-৩৭ পর্যন্ত বিজয়া দশমী।
সনাতন বিশ্বাসে- বোধনে ‘অরুণ আলোর অঞ্জলি নিয়ে আনন্দময়ী মা উমাদেবীর আগমন ঘটে। মৃন্ময়ীরূপে মণ্ডপে মণ্ডপে থেকে ফিরে যান কৈলাশে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে।’
এবার দুর্গা পিতৃগৃহে আসেন নৌকায় । আর এয়োস্ত্রীদের দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলার পর বিদায় নেন দোলায়। ফলম দোলায়াং- মড়কং ভবেত্। লগ্ন ও তিথির কারনে গতকাল 
সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে নামে ভক্তদের ঢল। ঢাক আর শঙ্খধ্বনি। টানা মন্ত্র পাঠ। উলুধ্বনি আর অঞ্জলি। সঙ্গে ঢাকের বাদ্য, নাচ, সিঁদুর খেলা। ধান, দুর্বা, মিষ্টি আর আবির দিয়ে দেবীকে বিদায় জানায় ভক্তরা। অনেকে উপবাস করেন। একদিকে বিদায়ের সুর। অন্যদিকে উত্সবের আমেজ। ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন, তাতী বাজার, শাখারী বাজার, স্বামীবাগসহ বিভিন্ন মণ্ডপে চলে আবির উত্সব।