বিমান হামলার মুখে থেমে যাচ্ছে আইএস’র কোবানি যাত্রা

 
 
কোবানির আশপাশে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অবস্থানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট। তুর্কি-সিরীয় সীমান্তে অবস্থিত এই শহরটি দখল নেয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে আইএস সদস্যরা। সিরীয় কুর্দি যোদ্ধারা জানিয়েছে, বিমান হামলা খুব কার্যকর হয়েছে তবে আরো আগে হওয়া উচিত ছিল। খবর বিবিসির।
বিমান হামলায় কোবানি অভিমুখে আইএস’র অগ্রযাত্রা থেমে গেছে বলে তাদের কাছে মনে হচ্ছে। তবে কোবানির চারপাশে লড়াই অব্যাহত আছে।
কোবানিতে আইএস’র বিরুদ্ধে লড়াইরত কুর্দিদের তুর্কি সেনাবাহিনীর কোনো সহায়তা না দেয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার তুরস্কজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এ সময় অন্ততপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সিরীয় কুর্দি দলের নেতা সালিহ মুসলিম জানিয়েছেন, প্রবল চাপের মুখে থাকা কুর্দি প্রতিরোধ বাহিনীর জন্য মঙ্গলবার দিবাগত রাতের পরিস্থিতি খুব গুরুতর হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, প্রতিরোধ বাহিনী প্রবল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারা বেসামরিক বাসিন্দাদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। তদের বিরুদ্ধে খুব বড় ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে।
কোবানির তিন সপ্তাহের যুদ্ধে অন্ততপক্ষে ৪শ’ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, আর ১ লাখ ৬০ হাজার সিরীয় তুর্কি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালিয়ে গেছে।