কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে নির্মাণাধীন কমিনিউটি ক্লিনিক ভবন ধসে আমিনুল ইসলাম (১৫) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় জাহিদুল ইসলাম (১৫) আরেক ছাত্র আহত হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পাটাধোয়া পাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আমিনুল ঐ গ্রামের আদম আলীর ছেলে এবং পাটাধোয়া পাড়া কওমি মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণির ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাটাধোয়া পাড়া সরকারি প্রাইমারী স্কুল মাঠে শিশুরা ক্রিকেট খেলছিল। এ সময় আমিনুল ও জাহিদুল নির্মাণাধীন কমিনিউটি ক্লিনিক ভবনের সামনে বসে খেলা উপভোগ করছিল। হঠাত্ করে নির্মাণাধীন ভবনের সামনের কিছু অংশ ধসে তার মাথার ওপর পড়ে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ প্রকল্পে ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন নয়াচর পাটাধোয়া পাড়া কমিনিউটি ক্লিনিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু ঠিকাদার শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী দ্বারা কাজ শুর করে। অভিযোগ আছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে আতাঁত করে নিম্নমানের কাজ করায় ওই ধসের ঘটনা ঘটে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকৌশলী কেরামত আলী নান্নু বলেন, ‘নিম্নমানের কাজের প্রমাণ পাওয়া গেলে ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’