জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন

ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা মধ্যপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনকে (৫০) যৌতুকের টাকা না পেয়ে জামাই শাহাবুদ্দিন (৩০) কুপিয়ে হত্যা করেছে। জামাই পলাতক রয়েছে। পুলিশ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামের রিকশা চালক মকবুল হোসেনের মেয়ে গার্মেন্টস কর্মী নাজমা খাতুন ভালবেসে তিন বছর আগে বিয়ে করে ত্রিশাল উপজেলার কানিহারী ইউনিয়নের বানিহারা গ্রামের শামছুল হকের পুত্র শাহাবুদ্দিনকে। তাদের ঘরে এক বছরের নীরব নামের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। জামাই শাহাবুদ্দিন স্ত্রী নাজমা খাতুনকে যৌতুকের ৫০ হাজার টাকা শ্বশুর বাড়ী থেকে এনে দেয়ার জন্য তিন মাস আগে মারপিট করে স্ত্রীকে বাপের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। গত বুধবার বিকালে মকবুল বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য জামাই বাড়ীতে গেলে বখাটে জামাই শ্বশুড়কে নির্মমভাবে কুপিয়ে আহত করে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে আন্ধারিয়া পাড়া গ্রামের এজিদুলের সহায়তায় সিএনজি দিয়ে মকবুলকে বাড়ীর নিকবর্তী নছের দোকানে দিয়ে যায়। এ সময় জনতা আটকের চেষ্টা করলে জামাই শাহাবুদ্দিন পালিয়ে যায়। রাতেই সংজ্ঞাহীন মকবুলকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে দুই দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

 

চায়ের দোকানদার বিপ্লব জানান, রাতে সিএনজি দিয়ে মকবুলকে ওই দোকানে নিয়ে আসার সময় সিএনজিতে জামাই শাহাবুদ্দিন, এজিদুলসহ চার জন লোক ছিলেন।

ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিফাত খান রাজিব বলেন, ‘লাশের সুরত হাল রিপোর্ট তৈরি করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আমরা শুধু সুরত হাল রিপোর্ট করব। যেহেতু ঘটনা ঘটেছে ত্রিশাল থানায় সে কারণে ত্রিশাল থানায় মামলা হবে।