বিতর্কিত মন্তব্যে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। রবিবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আইনের বিধান অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মন্ত্রী পদের নিয়োগের অবসান ঘটানোর জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদের (১) দফার (গ) উপদফা অনুসারে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর মন্ত্রী পদের নিয়োগের অবসান ঘটানোর নির্দেশ প্রদান করেন। এর ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়ার আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে যা লেখা আছে “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদের(১)দফার (গ) উপদফা অনুযায়ী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় মন্ত্রী জনাব আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রী পদে নিয়োগের অবসান হয়েছে। (২) এটি অবিলম্বে^ কার্যকর হবে।”
প্রসঙ্গত. গত ২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির সঙ্গে মতবিনিময়ে লতিফ সিদ্দিকী হজ, তাবলিগ জামাত, প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওযাজেদ জয় ও সাংবাদিকদের সম্পর্কে নানা ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য করেন। এ নিয়ে দেশে-বিদেশে, এমনকি সরকারি দলের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।