কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিত্সকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 
 
 
 
 
 
 
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বেশির ভাগ চিকিত্সক কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছেন। কিছু সংখ্যক চিকিত্সক কর্মস্থলে উপস্থিত থাকছেন না, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার ঢাকায় মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার সীমিত সম্পদ দিয়ে দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায়। চিকিত্সকদের এ বিষয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশ অর্জন দক্ষিণ এশিয়া ও অনুন্নত দেশগুলোতে উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়। যেকোনো অরাজকতা ও নৈরাজ্য মোকাবিলা করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায়। সুষম ও দরিদ্রবান্ধব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
মন্ত্রী মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ ইনস্টিটিউটকে দুই শ থেকে পাঁচ শ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে রোগীদের চিকিত্সায় অত্যাধুনিক সব যন্ত্রপাতি বসানো হবে বলেও জানান তিনি। সভা শেষে প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত শতাধিক কর্মচারী তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য মন্ত্রীর কাছে দাবি জানালে তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি, সানজিদা খাতুন এমপি, স্বাস্থ্য সচিব এম এম নিয়াজউদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নুরুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নূর হোসেন তালুকদার, শিশু ও মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহরিয়া তাসনিম প্রমুখ।