আজ ইতালি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশম এশিয়া-ইউরোপ মিটিং (আসেম) শীর্ষ সম্মেলন-২০১৪-এ যোগদানের লক্ষ্যে চার দিনের সফরে আজ বুধবার ইতালির মিলানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সকাল ১০টায় ঢাকা ত্যাগ করবে। স্থানীয় সময় ৩টা ৫০ মিনিটে এ ফ্লাইট মিলান মালপেনসা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৬ অক্টোবর শীর্ষ সম্মেলনে ‘এশিয়া পার্টনারশিপ ইন অ্যাড্রেসিং গ্লোবাল ম্যাটার্স ইন এন ইন্টার-কানেকটেড ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক ভাষণ দেবেন। তিনি অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনেও যোগ দেবেন।
শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি শেখ হাসিনা ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেট্টেরো রেনজি, গ্রীসের প্রধানমন্ত্রী এন্টিনিয়াস সি সামারাস, সুইডেনের স্টিফেন লফভেন এবং নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন। তিনি মিলানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া সংবর্ধনায়ও যোগ দেবেন। ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।
বাংলাদেশ ২০১২ সালে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আসেম-এর সদস্যপদ লাভ করে। এর মধ্যে ২৯টি সদস্য দেশ হচ্ছে ইউরোপের। আর এশিয়ার সদস্য দেশ হচ্ছে ২০টি। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আসিয়ান সচিবালয়ও আসেম-এর সদস্য।
গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সফরের ওপর এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী বলেন, শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যোগাযোগ সম্প্রসারণের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর ওপর আলোকপাত করবেন। মন্ত্রী জানান, আসেম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে দেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে সক্ষম হবে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
আইএস বিরোধী জোটে
যাবে না বাংলাদেশ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, ইরাক ও সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণকারী ইসলামিক স্টেট বা আইএস বিরোধী যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন অভিযানে যোগ দেবে না বাংলাদেশ। তবে ঐ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের নেতৃত্বে কোন কর্মসূচি নেয়া হলে বাংলাদেশ অংশ নেবে। বাংলাদেশ, ইরাক, সিরিয়ার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে। আমরা চাই এটা সংরক্ষণ করা হোক। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সবসময়ই স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে আসছে।