ঘুমিয়ে থাকা স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর আবুল হাসেম (৪০) নামের এক ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কাইচ্চাগড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আবুল হাসেমের স্ত্রী জহুরা বেগম (৩০) উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সোনাকর (বড়পানি) গ্রামের মৃত আবদুল বারেকের মেয়ে।
জহুরার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবুল হাসেম ও তাঁর স্ত্রী জহুরা সোমবার রাতের খাবার খেয়ে নিজেদের ঘরে শুয়ে পড়েন। রাত তিনটার দিকে আবুল হাসেম ঘুমন্ত স্ত্রীর গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন জহুরা বাধা দিলে তাঁকে ছুরি দিয়ে বুকে ও ঠোঁটে আঘাত করেন আবুল হাসেম। এরপর আবুল হাসেম বিষপান করেন। এ সময় পাশের কক্ষে থাকা তাঁদের সন্তানেরা জেগে উঠে চিৎকার শুরু করে। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাঁদের উদ্ধার করে শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক জহুরাকে মৃত ঘোষণা করেন। আবুল হাসেমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন-উল কাদির জানান, কী কারণে আবুল হাসেম এ ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা জানা যায়নি। তবে আবুল হাসেম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন বলে তাঁর স্বজনেরা জানিয়েছেন।
জহুরার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবুল হাসেম ও তাঁর স্ত্রী জহুরা সোমবার রাতের খাবার খেয়ে নিজেদের ঘরে শুয়ে পড়েন। রাত তিনটার দিকে আবুল হাসেম ঘুমন্ত স্ত্রীর গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন জহুরা বাধা দিলে তাঁকে ছুরি দিয়ে বুকে ও ঠোঁটে আঘাত করেন আবুল হাসেম। এরপর আবুল হাসেম বিষপান করেন। এ সময় পাশের কক্ষে থাকা তাঁদের সন্তানেরা জেগে উঠে চিৎকার শুরু করে। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাঁদের উদ্ধার করে শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক জহুরাকে মৃত ঘোষণা করেন। আবুল হাসেমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন-উল কাদির জানান, কী কারণে আবুল হাসেম এ ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা জানা যায়নি। তবে আবুল হাসেম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন বলে তাঁর স্বজনেরা জানিয়েছেন।